পৃথিবীকে জেনে নিন আপনার ভাষায়….24 Hrs Online Newspaper

ব্যাংক জালিয়াতরা ছাড় পাবে না

Posted on June 30, 2015 | in রাজনীতি | by

1416844510স্টাফ রিপোর্টার : ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে বরাদ্দের বিরুদ্ধে আটজন সংসদ সদস্য ছাঁটাই প্রস্তাব দিয়েছেন। আনা ছাঁটাই প্রস্তাবে জাতীয় পার্টি ও স্বতন্ত্র আটজন সংসদ সদস্য বিভিন্ন ব্যাংকে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাটের ঘটনার কঠোর সমালোচনা করেন। তাদের সমালোচনার জবাবে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, ব্যাংকিং ব্যবস্থায় আস্থা-বিশ্বাস অর্জন খুব জরুরি। যখন আস্থার ঘাটতি দেখা যায়, তখনই সমস্যা হয়। সোনালী ব্যাংক ও বেসিক ব্যাংকে কিছুটা ঘাটতি রয়েছে। জালিয়াতির সঙ্গে জড়িতদের আগে কেউ স্পর্শ পর্যন্ত করতে পারেনি। কিন্তু আমরা ছাড় দেইনি। মামলা করেছি, জড়িতদের জেলে নিয়েছি, বিচারের মুখোমুখি করেছি। এরা কেউ ছাড় পাবে না।
গতকাল মঙ্গলবার সকালে জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত ২০১৫-১৬ অর্থবছরের বাজেট পাসের আগে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের জন্য বরাদ্দের উপর আনা ছাঁটাই প্রস্তাব আলোচনাকালে একথা বলেন অর্থমন্ত্রী।
অর্থমন্ত্রী বলেন, সোনালী ব্যাংকের ঘটনায় একজন ব্যবস্থাপনা পরিচালককে জেলে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু দুঃখের ব্যাপার, উনি জেলেই মারা গেছেন। আরেকজন এমডি জেলে রয়েছেন। জালিয়াতির আসামিদের ছাড় দেওয়া হবে না। কোনো ব্যাংক থেকে যে ঋণ নেয়, আর যে ঋণ দেয়- তারা সমান দায়ী।
বেসিক ব্যাংকে জালিয়াতির ঘটনা সম্পর্কে অর্থমন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে বেসিক ব্যাংকের ঘটনায় বেশকিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। নতুন পরিচালনা পর্ষদ গঠন করা হয়েছে। ওই পর্ষদ বিষয়টি অনুসন্ধান করছে। পরিচালনা পর্ষদের অনুসন্ধান রিপোর্ট পাওয়ার পর সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুষ্টলোকেরা যাতে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে না পারে, সেজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
বরাদ্দের বিরুদ্ধে ছাঁটাই প্রস্তাবে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য মো. রুস্তম আলী ফরাজী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ব্যাংকের হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করা হলো। কারা টাকা লুটপাট করলো তাদের নামটা অন্তত পত্রিকায় দেন। দুর্নীতিবাজ মানুষ নামের অমানুষগুলোর একটা বিচার করেন। এভাবে শুধু বলে লাভ কি?
জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য ফখরুল ইমাম বলেন, জালিয়াতির কথা বললেই অর্থমন্ত্রী বলেন আমার হাত অত বড় না। জালিয়াত চক্রের হাত অনেক বড়। তা হলে আপনি হাত বড় করেন না কেনো? এভাবে তারা ছাড় পেয়ে গেলে বাজেট পাস করে লাভ হবে কি?
এরআগে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় খাতে ছাঁটাই প্রস্তাবের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, যেসব উপদেশ দেওয়া হয়েছে সেগুলো অদ্ভুত উপদেশ। সংসদ সদস্যরা ভুল পরামর্শ দিয়েছেন। তাই এ মন্ত্রণালয়ের টাকা কমাতে পারছি না। আমরা সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন-ভাতার বৈষম্যের পরিত্রাণ চাই। এজন্য ২০১০ সালে ৬২ শতাংশ বেতন-ভাতা বাড়িয়েছি। আগামি কয়েক মাসের মধ্যে যে বেতন দিতে যাচ্ছি, তাতে আর জনপ্রশাসনে অসন্তোষ থাকবে না। মন্ত্রণালয়ের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য সরকার সবচেয়ে বেশি চেষ্টা করে। বেসরকারি খাতের সমান বেতন সরকারি কর্মকর্তাদের কোনো দিনই হয় না।

Comments are closed.

সর্বশেষ খবর

আজকের ছবি

www.facebook.com

Tag Cloud