April 25, 2026
নিজস্ব প্রতিবেদক|| খালেদা জিয়ারাজধানীর পল্লবীতে বিহারি ক্যাম্পে ‘আওয়ামী সন্ত্রাসীদের’ অগ্নিসংযোগ এবং পুলিশের কাঁদানে গ্যাসের শেল ও গুলিতে ১০ জন মারা গেছেন বলে দাবি করেছেন করেছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। তিনি এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে সত্য উদঘাটনে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন ও দোষী ব্যক্তিদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। শনিবার বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব (দপ্তরের দায়িত্বে) রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এই ঘটনার জন্য আওয়ামী লীগ ও পুলিশকে দায়ী করেন খালেদা জিয়া। রাজধানীর পল্লবীর কালশীতে আজ শনিবার ভোরে বিহারিদের সঙ্গে স্থানীয় লোকজন ও পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষে একই পরিবারের সাতজনসহ অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছে। তাদের মধ্যে দুই শিশুও রয়েছে। বিবৃতিতে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, যেকোনো ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড মানবতার পরিপন্থী কাজ। এই সন্ত্রাসীরা মানবজাতির শত্রু। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং ‘আওয়ামী সন্ত্রাসীরা’ এ হামলা ঘটিয়েছে বলে দাবি করেন খালেদা জিয়া। এ ঘটনাকে কাপুরুষোচিত ও বর্বর হামলা হিসেবে অভিহিত করে তিনি বলেন, বিএনপি সন্ত্রাসী আক্রমণকে মানব সভ্যতাধ্বংসকারী কর্মকাণ্ড বলে মনে করে। সরকার আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে দলীয় ক্যাডার হিসেবে ব্যবহার করার জন্যই এখন বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ করেন খালেদা জিয়া। তিনি বলেন, সরকারি দলের সন্ত্রাসীদের সহযোগী হিসেবে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো শুধু বিরোধীদলীয় নেতা-কর্মীদের ওপরই পৈশাচিক হামলা চালাচ্ছে না, এদের কারণেই সাধারণ নাগরিকরাও ভয় ও আতঙ্কের মধ্যে জীবন যাপন করছে। বিএনপির চেয়ারপারসন বলেন, মিরপুরের এই জীবনবিনাশী রক্তক্ষয়ী কর্মকাণ্ডের জন্য বিচার বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে মানুষের জানমালের নিরাপত্তা বিঘ্নকারী দোষীদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত লোকজনের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ এবং পুনর্বাসনেরও দাবি জানান।