April 20, 2026
স্পোর্টস ডেস্ক : অনেক হ্যাপা গেছে তার ওপর দিয়ে।
৩৭ বছর বয়সেও ফর্মের তুঙে ছিলেন পাকিস্তানি স্পিনার সাঈদ আজমল। কিন্তু ক্যারিয়ারের দারুণ সেই সময় হঠাৎ করে আজমলের বোলিং নিয়ে প্রশ্ন তোলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। ফলে আনহুতভাবে অ্যাকশন শুধরানোর কর্মযজ্ঞে নামতে হয় ডানহাতি অফব্রেক বোলারকে।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে সাময়িকভাবে দূরে সরে অনেক পরিশ্রমও করতে হয় আজমলকে। সেজন্যই এখন ইংল্যান্ডে অবস্থান করছেন পাক ক্রিকেটার। আর নিজের অগ্রগতি নিয়ে খুশি তিনি। ক্রিকেটে ফেরার কথাও চিন্তা-ভাবনা করছেন তিনি, মঞ্চ হিসেবে ভাবছেন ২০১৫ বিশ্বকাপকে। সেটাই এখন তার টার্গেট।
সম্প্রতি লুকবার্গে ডক্টর মার্ক কিংয়ের তত্ত্বাবধায়নে বায়োমেকানিক্যাল টেস্টের মুখোমুখি হন আজমল। তাতে দেখা গেছে এখন আইসিসির বেঁধে দেয়া ১৫ ডিগ্রির কোনের থেকে বেশি বাঁকে পাক স্পিনারের কনুই। কিন্তু বোলিং অ্যাকশনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছেন তিনি।
পাকিস্তানের একটি অনলাইনকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে আজমল বলেন, ‘ডক্টর মার্ক আমাকে যা বলেছেন তা খুবই আশাব্যঞ্জক। আর আমি সেটা নিয়ে খুশিও। কেননা এখন অধিকাংশ ডেলিভারি ১৫ ডিগ্রি না বাঁকিয়েই সম্পন্ন করতে পারছি আমি। সেজন্য আগামী বিশ্বকাপ দিয়েই দলে ফেরার চিন্তা-ভাবনা করছি আমি। অবশ্য তার জন্য আরো অনেক উন্নতি করতে হবে আমায়।’
প্রসঙ্গত, আজমলের বোলিং অ্যাকশনের মূল ত্রুটি হলো দুসরার ক্ষেত্রে। প্রত্যেকটি দুসরার ক্ষেত্রে আইসিসির বেঁধে দেয়া ডিগ্রি পরিমাপণ রেখা ছাড়িয়ে যান পাক স্পিনার। নতুবা বাকি সব ক্ষেত্রে বৈধভাবেই ডেলিভারি সম্পন্ন করতে পারেন আজমল।