April 17, 2026
ঢাকা: এখন থেকে প্রতিবছর বাড়ি গিয়ে ভোটার তালিকা হালনাগাদ না করার পরিকল্পনা নিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি)। উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়েই এ কার্যক্রম চালানো হবে। ইসি সচিব সিরাজুল ইসলাম রোববার সাংবাদিকদের জানান, যেহেতু বাড়ি বাড়ি গিয়ে অনেককে পাওয়া যায় না, তাই ভোটার তালিকা কার্যক্রমকে নাগরিকদের দোরগোড়ায় নিয়ে যাওয়া হবে। খুব শিগগিরই ইসির সেন্ট্রাল সার্ভারের সঙ্গে উপজেলা সার্ভারের সংযোগ স্থাপন করা হবে। এতে উপজেলাতেই প্রাপ্ত বয়স্ক নাগরিকরা ভোটার হতে পারবেন। তবে ভোটার বৃদ্ধির হার যদি ২ শতাংশের কম হয়, তবে ৩ বছর পর বাড়ি বাড়ি গিয়ে হালনাগাদের উদ্যোগ নেওয়া হবে। আর যদি ভোটার বৃদ্ধির হার ২ শতাংশের বেশি হয়, তবে ৫ বছরে একবার বাড়ি বাড়ি যাওয়া হবে। হলানাগাদের কাজ ১৫ নভেম্বর শেষ হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রাথমিক হিসাবে বেশ কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। সে মোতাবেক এবার ৫১ লাখ ১৭ জন ভোটার হওয়ার জন্য আবেদন করলেও রেজিস্ট্রেশন করে ভোটার হয়েছেন ৪৭ লাখ ৩৫ হাজার ১০৪জন। এদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ২৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৫৯জন। আর নারী ভোটার ২০ লাখ ৮৮ হাজার ৪৪৫ জন। চূড়ান্ত হিসেবের পর এই তথ্যে কিছু বাড়তে পারে। নারী ভোটার কম হওয়ার কারণ সম্পর্কে সিরাজুল ইসলাম বলেন, কিছুটা বাস্তবতা আর কিছুটা দুর্বলতার কারণে এমন হয়েছে। বাস্তবতা বলতে নারীদের উৎসাহিত করা যায়নি। এছাড়া যারা তথ্য সংগ্রহ করেছেন, তারা ঠিক মতো কাজ করেননি। তবে এটি যেহেতু একটি চলমান প্রক্রিয়া। তাই সারা বছরই যারা বাদ পড়েছেন, তারা সংশ্লিষ্ট উপজেলায় ভোটার হতে পারবেন। এদিকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে নতুন ভোটার হয়েছেন ১ লাখ ৯ হাজার ৩৮২ জন। আর দক্ষিণ সিটিতে ভোটার হয়েছেন ৮৩ হাজার ১৭৮জন। তবে তুলনামূলক ভাবে ঢাকায় নারীরা ভোটার সংখ্যা বেশি।
আগামী ২ জানুযারি হালনাগাদ ভোটার তালিকার খসড়া প্রকাশ করা হবে বলে জানান সচিব। তিনি বলেন, ১৫ জানুযারি পর্যন্ত ওই তালিকার বিপরীতে দাবি আপত্তি নেওয়া যাবে। এরপর শুনানি শেষে ৩১ জানুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। দেশে এ পর্যন্ত ৯ কোটি ২০ লাখ ৯১৯ জন ভোটার রয়েছে।