May 4, 2026
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি : পরকীয়ায় মজে এক নারী ভাড়াটে সন্ত্রাসীদের দিয়ে তার প্রাক্তন স্বামীকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে ওই মিশন ব্যর্থ হয়েছে। স্বামীটিকে মুমূর্ষু অবস্থায় মাথাভাঙ্গা নদীর চর থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এখন তিনি চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। জোরপূর্বক মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে হাত-পায়ের রগ কেটে মৃত ভেবে ওই নদীর চরে দুর্বৃত্তরা তাকে ফেলে দিয়েছিল। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। চুয়াডাঙ্গার এই হতভাগ্য ব্যক্তির নাম জাফর (২৬)। জীবননগর উপজেলার রায়পুর বারান্দি মাঠপাড়ার শওকত আলীর পুত্র তিনি। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে আলমডাঙ্গার মুন্সীগঞ্জ গোয়ালবাড়ী গ্রামের মাথাভাঙ্গা নদীর চর থেকে জাফরকে উদ্ধার করা হয়। পরকীয়ার অভিযোগে সদ্য তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী ক্ষুব্ধ হয়ে প্রেমিক ও ভাড়াটে সন্ত্রাসীদের দিয়ে তাকে হত্যার চেষ্টা চালান বলে মনে করা হচ্ছে। আলমডাঙ্গা উপজেলার মুন্সীগঞ্জ পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এএসআই মিজানুর রহমান খান জানান, জাফরের স্ত্রী আনোয়ারা আলমডাঙ্গা উপজেলার গোয়ালবাড়ী গ্রামের রাহাজ উদ্দিনের মেয়ে। তার প্রেমিক একই উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের আনারুল সন্ত্রাসীদের সহযোগিতায় মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে জীবননগর হাসপাতালের সামনে থেকে জাফরকে জোরপূর্বক মাইক্রোবাসে করে উঠিয়ে নিয়ে আসে। এরপর তারা আলমডাঙ্গা উপজেলার গোয়ালবাড়ি গ্রামের মাথাভাঙ্গা নদীর তীরবর্তী একটি ভাগাড় জমিতে জাফরের দুই হাত ও দুই পায়ের রগ কেটে মৃত বলে ফেলে রেখে চলে যায়। একপর্যায়ে জাফরের আর্তচিৎকার শুনে এলাকার লোকজনের সহযোগিতায় রাত সাড়ে ৯টার দিকে মুন্সীগঞ্জ ফাঁড়ি পুলিশ তাকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। হত্যাচেষ্টার শিকার জাফর জানান, কয়েক মাস হলো পরকীয়ার কারণে আনোয়ারাকে তিনি তালাক দিয়েছেন। এর জের ধরে তার আনোয়ারা প্রেমিক আনারুলকে দিয়ে সন্ত্রাসী ভাড়া করে তাকে হত্যা করতে চেয়েছিলেন।