February 20, 2026
উপজেলা নির্বাচনে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তায় বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে উল্লেখ করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ। বুধবার দুপুরে রাজধানীর শেরে বাংলা নগরস্থ পরিকল্পনা কমিশনের এনইসি অডিটরিয়ামে প্রশাসন এবং আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর মাঠ পর্যায়ের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে ও পরে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তায় বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যেন তারা নির্ভয়ে ভোট কেন্দ্রে আসতে পারেন এবং কোনো প্রতিকূলতার মধ্যে না পড়েন।
সিইসি বলেন, নির্বাচনে যেন কোনো সমস্যা না হয় সেজন্য জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছি। সবাইকে বলেছি একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করতে আমরা ঐক্যবদ্ধ। এ ব্যপারে কোনো রকম ছাড় দেওয়া হবে না।
মাঠ পর্যায়ের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সবার সঙ্গে কথা বলেছি, তারা বলেছেন মাঠ পর্যায়ে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো আছে। সহিংসতার কোনো আশঙ্কা তারা দেখছেন না। মিটিং করে এবং বিভিন্ন সংস্থা থেকে পাওয়া তথ্যে নেতিবাচক কিছু নেই বলেও জানা গেছে।এবার উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন হবে।
ইসির ওয়েবে হলফনামা প্রকাশ না করা প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, এটা উপজেলা পর্যায়ের নির্বাচন । স্থানীয় রিটার্নিং অফিসারের অফিসের সামনে হলফনামা টানিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন প্রসঙ্গে কাজী রকিব বলেন, সব নির্বাচনের জন্য অহরহ তাগাদা দিয়ে যাচ্ছি। সময় হলেই হবে।
উপজেলা নির্বাচনে সেনা মোতায়েন প্রসঙ্গে সিইসি জানান, উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সেনা বাহিনী থাকবে ৫ দিন। তারা উপজেলা পর্যায়ে থাকবেন। অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে তারা টহল দেবেন, যেন কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে। তাদের সঙ্গে র্যাব, পুলিশ, বিজিবি, আনসার ও ভিডিপি দায়িত্ব পালন করবেন।
বেলা সাড়ে এগারোটায় শুরু হয় বৈঠক। বৈঠকে অংশ নেন জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তারা।
উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রথম পর্যায়ের ভোট গ্রহণ শুরু হবে ১৯ ফেব্রুয়ারি। এদিন অনুষ্ঠিত হবে ৯৭টি উপজেলার নির্বাচন। ২০ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে আরও ১টি উপজেলার নির্বাচন।