April 19, 2026
বিশেষ প্রতিনিধি: চলতি বছরের নভেম্বরে মূল্যস্ফীতি বা জিনিসপত্রের দাম বৃদ্ধির হার আরও কমেছে। পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে নভেম্বরে মূল্যস্ফীতির হার দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ২১ শতাংশ, যা অক্টোবরে ছিল ৬ দশমিক ৬০ শতাংশ। চলতি অর্থবছরে এ পর্যন্ত প্রতিমাসেই মূল্যস্ফীতি তার আগের মাসের তুলনায় কমলো।
নভেম্বরে মূল্যস্ফীতি কমে ৬ দশমিক ২১% পরিকল্পনা কমিশনে এক সংবাদ সম্মেলনে মূল্যস্ফীতির সর্বশেষ এ পরিসংখ্যান তুলে ধরেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এসময় বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বিবিএসের তথ্য মতে, নভেম্বরে খাদ্য সূচকে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৬ দশমিক ৪৪ শতাংশ । অক্টোবরে এ হার ছিল ৭ দশমিক ১৬ শতাংশ। তবে খাদ্যপণ্যে কমলেও খাদ্যবহির্ভুত পণ্যে মূল্যস্ফীতি কিছুটা বেড়েছে। খাদ্যবহির্ভুত সূচকে মূল্যস্ফীতির হার দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ, যা অক্টোবরে ছিল ৫ দশমিক ৭৪ শতাংশ। পয়েন্ট টু পয়েন্ট মূল্যস্ফীতি হচ্ছে আগের বছরের নির্দিষ্ট কোন মাসের ভোক্তা মূল্যসূচকের তুলনায় পরের বছর একই মাসে ওইসূচক যতটুকু বাড়ে তার শতকরা হার। সাধারণত ১২ মাসের পয়েন্ট টু পয়েন্ট মূল্যস্ফীতির গড় হিসাব করা হয়ে থাকে। সরকার বাজেটে এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংক তার মুদ্রানীতিতে গড় মূল্যস্ফীতি একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে রাখার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে। খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভুত বিভিন্ন পণ্য ও সেবার মূল্য নিয়ে বিবিএস মূল্যস্ফীতির হিসাব করে। চলতি অর্থবছরে গড় মূল্যস্ফীতি সাড়ে ৬ শতাংশে রাখার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বিবিএসের হিসাবে নভেম্বরে পর্যন্ত গড় মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৭ দশমিক ১০ শতাংশ। অক্টোবরে যা ছিল ৭ দশমিক ১৮ শতাংশ। পরিকল্কপ্পনামন্ত্রী আশা করেন, মূল্যস্ফীতি আগামী মাসগুলোতে কম থাকবে। এর ফলে অর্থবছর শেষে গড় মূল্যস্ফীতি সরকারের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার মধ্যেই থাকবে।
সত্যসুত্র….সমকাল