February 23, 2026
ঢাকা: জামায়াতের সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা এ কে এম ইউসুফের মৃত্যুকে স্বাভাবিক বলে মনে করছেন না দলটির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক নেতা। ইউসুফের মৃত্যু-পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ ও পরিস্থিতির ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া জানাতে জরুরি বৈঠকে বসেছে জামায়াতের নীতিনির্ধারণী ফোরাম। বৈঠক শেষে ইউসুফের মৃত্যুর ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া গণমাধ্যমের কাছে পাঠানো হবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জামায়াতের এক দায়িত্বশীল নেতা জানান, সংগঠনের নেতা-কর্মীরা মনে করছেন, মাওলানা ইউসুফকে বিষ প্রয়োগ করে অথবা ভিন্ন কৌশলে মেরে ফেলা হয়েছে। তারা মনে করছেন, বিচারের মাধ্যমে ফাঁসি দিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিরুদ্ধে বিশ্ব জনমত সোচ্চার থাকায় সেই ঝুঁকিতে না গিয়ে সরকার বিশেষ কৌশলে জামায়াত নেতা ইউসুফকে মেরে ফেলেছে। গ্রেফতার হওয়া অন্য জামায়াত নেতাদেরও এভাবে মেরে ফেলা হবে বলে তারা আশঙ্কা করছেন।
ওই নেতা আরো বলেন, দল ইউসুফের মৃত্যু-পরবর্তী কর্মসূচির কথাও ভাবছে। তবে লাশ গ্রহণ ও সুষ্ঠুভাবে লাশের আনুষ্ঠানিকতা শেষের কথাও তারা আলোচনা করছেন। ইউসুফের মৃত্যুর বিষয়টিকে তারা গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছেন।
উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ১২ মে জামায়াতের সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা এ কে এম ইউসুফকে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে একাত্তরে রাজাকার বাহিনী প্রতিষ্ঠার অভিযোগ রয়েছে। ইউসুফের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের ১৩টি অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ বিচার চলছিল।