পৃথিবীকে জেনে নিন আপনার ভাষায়….24 Hrs Online Newspaper

জনস্বাস্থ্যে অবদান রাখায় পুরস্কৃত সায়মা হোসেন

Posted on September 10, 2014 | in জাতীয় | by
Putul_170813_1ঢাকা: অটিজম স্পেক্ট্রাম ডিসঅর্ডারস মোকাবিলায় অসামান্য অবদানের জন্য সায়মা হোসেনকে সম্মাননা দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্যসংস্থা। সায়মা হোসেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নিউরো ডেভেলপমেন্টাল ডিজঅর্ডারস ও অটিজম-এর জাতীয় উপদেষ্টা কমিটির সভাপতি।  জনস্বাস্থ্যে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি দিতে বিশ্ব স্বাস্থ্যসংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক ড. ক্ষেত্রপাল সিং-এর পরামর্শ অনুযায়ী নতুন এই পুরস্কার প্রবর্তন করা হয় এবং সর্বপ্রথম যে দু’টি পুরস্কার দেওয়া হয় তার একটি অর্জন করেছেন সায়মা হোসেন। বুধবার সন্ধ্যায় সোনারগাঁও হোটেলের বলরুমে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার স্বাস্থ্যমন্ত্রীদের আঞ্চলিক সভার দ্বিতীয় দিন সন্ধ্যায় এ পুরস্কার দেওয়া হয় সায়মা হোসেনকে। এ সময় সায়মা হোসেনের মা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপস্থিত ছিলেন।  পুরস্কার হাতে নিয়ে সায়মা হোসেন বলেন, অটিজম নিয়ে যারা দীর্ঘ সংগ্রাম করে যাচ্ছেন এই পুরস্কার তাদেরই কাজের স্বীকৃতি। আমি এ পুরস্কার তাদের জন্য উৎসর্গ করলাম।।
এ সময় অটিজম নিয়ে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রতয় ব্যক্ত করেন সায়মা হোসেন।  সায়মা হোসেন এ অঞ্চলে এবং বিশ্বব্যাপী অটিজম বিষয়ে বাংলাদেশের যে ভূমিকা তার মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছেন বলে অভিহিত করেছেন ড. ক্ষেত্রপাল সিং।  তিনি বলেন, ‘অটিজম স্পেক্ট্রাম ডিজিজেস এবং চাইল্ডহুড ডেভেলপমেন্ট ডিজঅর্ডারস বিষয়ে সায়মার কর্মপ্রচেষ্টা বহুমুখী অংশীদারিত্ব গঠনে সাহায্য করেছে, আর তার ফলশ্রুতিতেই জাতিসংঘ ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এ বিষয়ে বিশেষ কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পূর্ব তিমুরের ন্যাশনাল ম্যালেরিয়া কন্ট্রোল প্রোগ্রাম (এনএমসিপি)-এর গুরুত্বপূর্ণ অবদানেরও স্বীকৃতি দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। ২০০৬ সালে এখানে ২২৩০০০ এরও বেশি মানুষ ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়, যার মধ্যে ৬৮ জনেরও বেশি মারা যায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহযোগিতা এবং দৃঢ় রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি নিয়ে এনএমসিপি দেশব্যাপী ম্যালেরিয়া প্রতিরোধে জোর প্রচেষ্টা চালায়। আর এর ফলে ২০১৩ সালের মধ্যে ম্যালেরিয়ায় আক্রান্তের সংখ্যা কমে আসে মাত্র ১০৪০ জনে, আর মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়ায় মাত্র ৩ জনে। আক্রান্তের হার প্রতি ১০০০ জনের মধ্যে মাত্র ১ জনে নেমে আসে, আর এ সাফল্যের মধ্য দিয়ে ম্যালেরিয়ায় সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করে দেশটি।
উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জনের জন্য এনএমসি কর্মসূচিকে অভিনন্দন জানিয়ে ড. পুনম ক্ষেত্রপাল সিং বলেন, অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে অসংখ্য মানুষের জীবন বাঁচিয়ে এবং ম্যালেরিয়ার এমডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করে যে চমৎকার সাফল্য দেখিয়েছে তার জন্য পূর্ব তিমুরের জাতীয় ম্যালেরিয়া নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি প্রশংসার দাবিদার। এ কর্মসূচি উন্নয়নশীল দেশগুলোর অন্যান্য ম্যালেরিয়া নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির জন্য অনুসরণীয় হতে পারে।
এখন থেকে প্রতিবছর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আঞ্চলিক পরিচালক জনস্বাস্থ্যে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য দু’টি করে পুরস্কার দেবেন। একটি পুরস্কার দেওয়া হবে স্ব-স্ব-ক্ষেত্রে কাজ করে যাওয়া নিবেদিতপ্রাণ একজন ব্যক্তিকে এবং অপরটি দেওয়া হবে একটি প্রতিষ্ঠানকে।

সর্বশেষ খবর

আজকের ছবি

www.facebook.com

Tag Cloud