February 20, 2026
কক্সবাজার : কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় ব্যাপক কারচুপি ও অনিয়মের অভিযোগে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মিজানুর রহমান নির্বাচন বর্জন করেছেন। এরই প্রতিবাদে জেলায় রোববার সকাল-সন্ধ্যা হরতালের ডাক দিয়েছে কক্সবাজার জেলা বিএনপি। বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটায় মিজানুর রহমানের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন। বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মিজানুর রহমান বলেন, ‘চকরিয়ার ৯৬টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে প্রায় ২০ কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীর লোকজন ভোট কেন্দ্র দখল করে অস্ত্রের মুখে কারচুপি করেছে। এছাড়াও প্রশাসনের সহায়তা চাওয়া হলে প্রশাসন কোন ধরণের সহযোগিতা করেনি। বরং আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীকে ভোট কারচুপিতে সহায়তা করেছে। এটি নির্বাচন নয়, এ নির্বাচন নিয়ে সরকার তামাশা শুরু করেছে।’
কক্সবাজার জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক ইউসুফ বদরী রাইজিংবিডিকে জানান, চকরিয়ায় নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগে রোববার কক্সবাজার জেলায় সকাল-সন্ধ্যা হরতাল পালিত হবে। নির্বাচন নিয়ে সরকার প্রহসন শুরু করেছে। এটি জনগণের কাম্য নয়। দিকে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী জাফর আলম রাইজিংবিডিকে জানান, নির্বাচনে পরাজয় নিশ্চিত হবে জেনে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী নাটক শুরু করেছে। নির্বাচনে কোন ধরনের কারচুপি কিংবা অনিয়ম হয়নি। সকাল থেকে সুষ্ঠু ও উৎসব মুখর পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অপরদিকে চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, কয়েকটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া নির্বাচন সুষ্ঠভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। কোন ধরনের অনিয়ম কিংবা কারচুপির অভিযোগ এখনো পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। চকরিয়ায় ১৮ ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার ৯৬টি এবং পেকুয়ার সাত ইউনিয়নের ৩৬টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
চকরিয়ায় চেয়ারম্যান পদে পাঁচজন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে পাঁচজন, নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে পাঁচজন এবং পেকুয়ায় চেয়ারম্যান পদে দুইজন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে চারজন এবং নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে দুইজন প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন।