March 10, 2026
ডেস্ক রিপোর্ট : দৃষ্টি সবার লন্ডন সফররত বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার দিকে। নির্বাসিত পুত্র তারেক রহমানের কাছে তিনি এখন রয়েছেন। তার এই দীর্ঘ সফরকে শুধুমাত্র পারিবারিক সফর হিসাবে সরকারের ওপর মহল থেকে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহল দেখছেন না। এমনকি বিএনপির নেতাকর্মীরাও মনে করছেন, এটি শুধু নিছক পরিবারের সঙ্গে একত্রিত হওয়ার সফর নয়। চলমান রাজনীতিতে বিদ্যমান পরিস্থিতি ও আগামী জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে দলের কলাকৌশল নির্ধারণ এবং প্রয়োজনীয় কর্মতৎপরতা সৃষ্টির নানমুখী পদক্ষেপ গ্রহণের নেপথ্যে রয়েছে।
দলের অনেকে মনে করেন এখানে অনেকের মনোনয়ন ভাগ্যও নিশ্চিত হবে। তারাও অনেকে দর্শন দিতে যাচ্ছেন লন্ডনে। বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি আব্দুল আওয়াল মিন্টু, ঢাকা উত্তরে বিএনপির মেয়র প্রার্থী পুত্র তাবিদ আওয়ালসহ সেখানে গেছেন। পিতা-পুত্র সহসাই হয়তো চলে আসবেন, কিন্তু আব্দুল আওয়াল মিন্টু সফরসঙ্গী হওয়ায় এর রাজনৈতিক তাৎপর্য বেড়েছে।
৯৬ সালের জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা ও রাজনীতির নেপথ্যে আব্দুল আওয়াল মিন্টু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। একজন ওয়েল কানেকটেড পারসন হিসাবে পরিচিত আব্দুল আওয়াল মিন্টুর অভিজ্ঞতাও অনেক।
এদিকে, গুঞ্জন রয়েছে বেগম খালেদা জিয়া লন্ডনে কি করছেন, কাদের সঙ্গে কথা বলছেন তা সময়ে সময়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অবহিত হচ্ছেন। ঢাকা থেকে পেশাদার সোর্স আগেই লন্ডন গেছেন। সেই সুবাদে বেগম খালেদা জিয়ার লন্ডন তৎপরতা সময়ে সময়ে শেখ হাসিনা জানতে পারছেন।
প্রসঙ্গত, ১৫ জুলাই যুক্তরাজ্য সফরে যান বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। ২০০৬ সালে ক্ষমতা হারানোর পর যুক্তরাজ্যে খালেদা জিয়ার এটি তৃতীয় সফর। এর আগে ২০১৫ সালে ১৬ সেপ্টেম্বর খালেদা জিয়া চিকিৎসার জন্য লন্ডনে গিয়েছিলেন। এছাড়া ২০১১ সালে যুক্তরাষ্ট্র সফর থেকে ফেরার পথে লন্ডনে গিয়েছিলেন। ওই সময়ে লন্ডনে বড় ছেলে তারেক রহমানসহ তার পরিবারের সঙ্গে দুই মাসেরও অধিক সময় কাটিয়েছিলেন। এবারো সেখানে প্রায় দুমাসই কাটাতে পারেন বলে জানা যাচ্ছে।