April 19, 2026
ঢাকা: দেশজুড়ে আবার ৮৩ ঘণ্টার অবরোধ ডেকেছে বিরোধী দল। আর এরই মধ্যে বিসিবি ২২ ডিসেম্বর থেকে সিলেটে বিজয় দিবস টি২০ টুর্নামেন্ট শুরু করার ঘোষণা দিয়েছে। ২২ থেকে ২৬ ডিসেম্বর সিলেটে। আর ২৮-৩১ ডিসেম্বর মিরপুরে।এই টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার দিনে আজ বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনকে অবরোধ-হরতালে টুর্নামেন্ট আর পাকিস্তান ইস্যুতে প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়েছে। কাদের মোল্লার ফাঁসির রায় কার্যকর হবার পর পাকিস্তানের নিন্দা আর বিভিন্ন বক্তব্য নিয়ে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক অবনতির দিকে যাচ্ছে। এমন অবস্থায় টুর্নামেন্ট আয়োজন কতটা নিরাপদ-এই প্রশ্ন ওঠেছে। এশিয়া কাপে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে কি-না জানতে চাওয়া হয় পাপনের কাছে। বিসিবি সভাপতি বিষয়টি সরাসরি নাকচ করে দেন। এবং বললেন, “এমন কোনো কিছু হবার সুযোগ নেই।” পাপন বললেন আর সবকিছু ঠিক হয়ে গেল বিষয়টা এমন নয়।রাজনীতির দুষ্টচক্রে আটকে গেছে বাংলাদেশ। জানুয়ারি মাসে শ্রীলঙ্কা সিরিজ খেলতে আসার আগে নিরাপত্তা পরিদর্শনে বিশেষ কমিটির ঢাকায় এসেছে পর্যবেক্ষণ করতে। এরপর এশিয়া কাপ প্রসঙ্গ।েএশিয়া কাপের কথা আসলে পাকিস্তানের কথা আসে। সব কিছু মিলিয়ে পানি যে ঘোলা হয়ে গেছে তা স্পষ্ট। যদিও বিসিবি সভাপতি প্রসঙ্গগুলো এড়িয়ে সকলের প্রতি আহবান জানিয়েছেন ক্রিকেটকে রাজনীতির সঙ্গে না মেলাতে। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ভালো না এটা মানছেন পাপন। কিন্তু বাংলাদেশ নিয়ে পাকিস্তানের নিন্দা এবং বাংলাদেশের পাল্টা বক্তব্য এশিয়া কাপে কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না বলে মনে তিনি। সিলেটে বিজয় দিবস টি২০ টুর্নামেন্ট অবরোধের মধ্যে কতাট নিরাপদ সে নিয়ে সরাসরি কথা বললেন না পাপন।
মিডিয়ার নানা প্রশ্নের জবাবে পাপন বেশ খানিকটা সময় ভেবে নিয়ে বলেন,‘এমন কোনো সম্ভাবনা আমি দেখতে পাচ্ছি না। এশিয়া কাপে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার কোনো কারণ কি আছে? এটা ক্রিকেট খেলা, রাজনীতি না। তবে আমাদের দেশে এখন রাজনৈতিক অস্থিরতা চলছে। হরতাল-অবরোধ তার মধ্যেও টুর্নামেন্ট গুলো চালিয়ে যেতে হচ্ছে। চারটি গুরুত্বপূর্ণ টুর্নামেন্ট আমাদের সামনে। বিজয় দিবস টুর্নামেন্ট ২২ ডিসেম্বর মাঠে গড়াবে। শ্রীলঙ্কা আসছে জানুয়ারিতে। ফেরুয়ারিতে এশিয়া কাপ। এরপর টি২০ বিশ্বকাপ।
পাপন বলেন, “আমি সকলের কাছে একটি আবেদন করতে চাই। টি২০ বিশ্বকাপ -২০১৪। কিন্তু শুধুমাত্র ওই
সময়টার জন্য নয়। এখন প্রতিটি দিন প্রতিটা মুহুর্ত বিশ্বের সকলের চোখ বাংলাদেশের দিকে। বিশেষ করে যারা টি২০ বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করবে।আইসিসি এবং এসিসিরও দৃষ্টি বাংলাদেশের দিকে। আমি শুধু বলব রাজনীতি রাজনীতির জায়গায় থাক। খেলাধুলা খেলাধুলার জায়গায় থাক। আমাদের এই ক্রিকেট খেলাটাকে ওনারা যেন সকল রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের বাইরে রাখেন। সে জন্য আমি সরকার ও বিরোধী দল সবার কাছে অনুরোধ করব তারা যেন ক্রিকেটকে রাজনীতির সঙ্গে না জড়ান।”