April 20, 2026
ঢাকা: ঘন কুয়াশার সঙ্গে বেড়েছে শীতের তীব্রতা। রাজধানীসহ সারা দেশের জীবনযাত্রায়ও পড়েছে এর প্রভাব। শীতে বিপর্যস্ত মানুষের প্রাত্যহিক জীবনযাত্রা। অতিরিক্ত কুয়াশার কারণে সড়ক ও নৌপথে যোগাযোগ ব্যাহত হচ্ছে। পাশাপাশি বিমান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে বলেও জানিয়েছে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। শীত নিবারণে রাজধানীর অভিজাত বিপণিকেন্দ্র থেকে শুরু করে ফুটপাতে শীতবস্ত্রের দোকানে এখন বাড়ছে ভিড়। কুয়াশা ও নিচু স্তরের মেঘের কারণে সারা দেশে তাপমাত্রা কমে গেছে। বৃহস্পতিবার বিকেলের পর থেকে এ অবস্থা কেটে যেতে থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ। চলতি মাসের শেষ কিংবা ফেব্রুয়ারির শুরুর দিকে একটি শৈত্যপ্রবাহের দেখা মিলতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। অধিদফতরের পরিচালক আবহাওয়াবিদ মো. শাহ আলম বলেন, আকাশে নিচু স্তরের মেঘের সঙ্গে কুয়াশা থাকায় দিনের তাপমাত্রা অনেকটা কমে গেছে। এটা শৈত্যপ্রবাহ নয়। দেশের কোথাও এখন শৈত্যপ্রবাহ বইছে না। তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির মধ্যে থাকলে তাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বলে। বুধবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল চুয়াডাঙ্গায় ১০ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
তিনি আরও বলেন, বৃহস্পতিবার বিকেলের পর থেকে পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে। জানুয়ারির শেষ দিকে বা ফেব্রুয়ারির শুরুতে দেশে একটি শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। এদিকে, বুধবার সকাল থেকেই তীব্র কুয়াশার কারণে চট্টগ্রাম বন্দরে কোনো জাহাজ জেটিতে ঢুকতে এবং ছেড়ে যেতে পারেনি। সকালের দিকে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অভ্যন্তরীণ রুটের তিনটি বিমান অবতরণের কথা থাকলেও ঘন কুয়াশার কারণে এসব ফ্লাইট ঢাকা থেকে উড্ডয়ন করেনি। অন্যদিকে আবুধাবির শারজাহ থেকে আসা একটি বিমান এবং ইতিহাদ এয়ারওয়েজের একটি কার্গো বিমানও চট্টগ্রামে অবতরণ করতে পারেনি। পরে বিমান দুটি ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার সাত বিভাগের মধ্যে ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, বরিশালে ১২, রংপুরে ১২ দশমিক ৮, রাজশাহীতে ১২ দশমিক ৪, সিলেটে ১৩ দশমিক ৯, খুলনায় ১২ দশমিক ৫ ও চট্টগ্রামে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে সারা দেশে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল চুয়াডাঙ্গায় ১০ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।