May 2, 2026
ফেনী প্রতিনিধি : ফেনীতে চুরির অভিযোগে বিবস্ত্র করে এক কিশোরকে নির্যাতনের অভিযোগে ৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার রাতে তাদের আটক করা হয়। আটককৃত ব্যক্তিরা হলেন শহরের কালিপাল দশমী ঘাট ব্যবসায়ী প্রদীপ, সবুজ, দোকানের দুই স্টাফসহ ৫ জন। তবে ঘটনার মূল হোতা মহিন ভূঁইয়া ও অর্জন দাস পলাতক রয়েছেন। এ ঘটনার পর ফেনীতে তোলপাড় শুরু হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার নামাজের পর ফেনী শহরের কালীপাল দশমী ঘাট এলাকার প্রদীপের গ্রিল দোকান ও ফারুকের স্যানিটারি দোকান থেকে লোহার জিনিসপত্র চুরি করার অভিযোগে ওই টোকাই কিশোরকে প্রদীপ ও মহিন ভূঁইয়া ও অর্জন দাস আটক করে। আটকের পর স্থানীয় লোকজন স্যানেটারি দোকানের মালিক ফারুকে খবর দেয়। পরে চুরির অপরাধে বিবস্ত্র করে গায়ে বস্তা বেঁধে নির্যাতন করে। ঘটনার সময় মোবাইল ফোনে নির্যাতনের ভিডিও ধারণ করা হয়। পরে কে বা কারা নির্যাতন চালানোর চিত্র ফেসবুকে আপলোড করে। ফেসবুকে ছেড়ে দেওয়ার পর মঙ্গলবার ফেনীতে তোলপাড় শুরু হয়। এর পর থেকে পুলিশ ও এলাকাবাসী ওই কিশোরকে খুঁজে পায়নি।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী লাল রঙের পাঞ্জাবি পরা শহীদ নামে এক ব্যক্তি বলেন, ‘শুক্রবার দুপুরে জুমার নামাজ পড়ে বাড়ি থেকে ফেনী যাচ্ছিলাম। তখন ওই কিশোরকে বেঁধে পেটানোর দৃশ্য দেখে কিছুক্ষণের জন্য ওখানে দাঁড়াই। ওই কিশোরকে চুরির অভিযোগে প্রথমে বিবস্ত্র করা হয়। এরপর লাঠি ও রড দিয়ে তাকে পেটানো হয়। এতে ওই কিশোর আহত হয়। তার পর থেকে ওই যুবকের সন্ধান পাওয়া যায়নি।’
ফেনী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি-তদন্ত) মো. শাহীনুজ্জমান জানান, পুলিশ এ ঘটনায় দোকান মালিক প্রদীপ, সবুজ, দোকানের দুই স্টাফসহ ৫ জনকে আটক করেছে। তবে ছবিতে নির্যাতনকারী ঘটনার মূল হোতা মহিন ভূঁইয়া ও অর্জন দাস পলাতক রয়েছে। ও কিশোরের সন্ধান করা হচ্ছে।