March 14, 2026
রিয়াদঃ কোন অভিবাসী নাগরিককে তার ইকামাতে উল্লেখিত পেশা ছাড়া অন্য কোন পেশায় কর্মরত অবস্থায় পাওয়া যায় তাহলে তাকে তাৎক্ষণিক ১ লাখ রিয়াল জরিমানা এবং ২ বছরের জন্য কারাদণ্ড প্রদান করা হবে বলে জানিয়েছে সৌদি পাসপোর্ট বিভাগ।
বৃহস্পতিবার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সৌদি পাসপোর্ট বিভাগের মুখপাত্র আহমেদ আলী হেইদান এ কথা বলেন।
আল হেইদান আরও বলেন, সৌদি সরকার অভিবাসী নাগরিকদের অবৈধ থেকে বৈধ করার একটা ব্যাপক সুযোগ দিয়েছে কিন্তু তারপরও এখনো অনেক নাগরিক অবৈধ অবস্থায় আছেন এবং তাদের অবৈধ পেশা চালিয়ে যাচ্ছেন।
সৌদি আরবে অভিবাসীদের ভিসায় উল্লেখিত পেশা ছাড়া অন্য পেশায় নিয়োজিত থাকা শ্রমিকরা বৈধ নয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় এ ব্যাপারে অভিযান পরিচালনা করবে এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে।
সৌদী ল্যান্ড ট্রান্সপোর্টিং কমিটির প্রধান সাউদ আল নাফেয়ী বলেন, অনেক অভিবাসী আছেন যারা ব্যাক্তিগত ট্যাক্সি চালান অথচ তাদের ভিসায় ভিন্ন পেশা দিয়ে সৌদিতে প্রবেশ করেছেন। অনেক চালক তাদের মোবাইল নম্বর গাড়িতে লিখে রাখেন। কর্তৃপক্ষের যথাযথ মনিটরিংয়ের অভাবে তারা এ জাতীয় অবৈধ কাজ করে যাচ্ছেন।
যদিও ট্রাফিক পুলিশ এদের শনাক্ত করে আটক করছে কিন্তু তারপরও জনসচেতনতা অনেক বেশি জরুরি। যাতে এ ধরনের চালকদের এড়িয়ে চলা যায়।
আল নায়েফী বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই পদক্ষেপের ফলে এ জাতীয় অবৈধ বিষয় গুলো সঠিকত্ব পাবে।
আমাদের উদ্দেশ্য হল সাধারণ মানুষের জন্য একটি সুষ্ঠ ও সুন্দর যাতায়াত ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। সৌদি আরবে বর্তমানে ৪১২টি নিবন্ধিত পরিবহন কোম্পানি কাজ করছে। তারা সকলেই গ্লোবাল পজিশনিং সিষ্টেম ব্যবহার করছে। এতে সাধারণ মানুষ চলাফেরায় অনেক বেশি স্বাচ্ছন্দ বোধ করছেন। কারণ এই সিস্টেম ব্যবহার করে চালকদের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
তিনি আরও বলেন, অনেক ক্ষেত্রে যাত্রীর হারানো মাল ফেরত পাবার ক্ষেত্রে এই সিস্টেম বেশ সহায়ক ভূমিকা পালন করছে।কিন্তু ব্যাক্তি মালিকানাধীন ট্যাক্সি চালকদের শনাক্ত করা সম্ভব নয়। তাদের কোন নিয়ন্ত্রণ নেই, যার ফলে কোন জবাবদিহিতাও নেই।
যদিও ট্রাফিক বিভাগ মাঝে মধ্যে রুটিন চেকের ব্যবস্থা করে এদেরকে আটক এবং জরিমানা করছে তারপরও তা কমই বলা চলে।
অবৈধ কর্মকাণ্ডের এই বিষয়টির স্থায়ী সমাধান হওয়া প্রয়োজন বলেও মনে করেন তিনি।