March 14, 2026
ঢাকা: পশুর কাঁচা চামড়ার ব্যবসার সাথে জড়িতরা, চামড়াখাতে দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারের প্রয়োজনীয় কাঁচামালের যোগানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। কিন্তু চামড়া কেনায় যে বড় অংকের বিনিয়োগের দরকার হয়, তাতে কোন ব্যাংক ঋণ সহায়তা পান না বলে অভিযোগ করেছেন ,বাংলাদেশ হাইড এন্ড স্কিন মার্চেন্টস এসোসিয়েশন । আর এতে করে, প্রান্তিক পর্যায়ে চামড়া সংগ্রহে অনেক ক্ষেত্রে বেশি সময় ব্যয় হয়, যার ফলে প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ চামড়া নষ্ট হয় বলে দাবি করছে সংগঠনটি।
প্রতিবারের মত এবারও কোরবানির পরপরই রাজধানীর হাজারিবাগ এলাকায় আসতে থাকে পশুর চামড়াবাহী ট্রাক, ভ্যানের মত বিভিন্ন যানবাহন। ধানমন্ডি, শঙ্কর, মোহাম্মদপুরসহ মূলত পাশের এলাকাগুলো থেকে ফরিয়া ও মৌসুমি ব্যবসায়ীরা চামড়া নিয়ে আসছেন এখানকার ট্যানারীতে। এবার ঈদের আগে চামড়ার যে দাম নির্ধারণ করা হয়েছে, দেখা গেল তারচেয়ে বেশি দামে কেনাবেচা হচ্ছে।
দেশের অন্যতম বৃহৎ কাঁচা চামড়ার আড়ৎ পোস্তা এলাকাতেও চামড়া বহনকারি বিভিন্ন যানবাহনের দীর্ঘ সাড়ি চোখে পড়ল। এখানকার ব্যবসায়ীদের যেন দম ফেলবার অবসর নেই। এতিমখানা,মাদ্রাসার মত প্রতিষ্ঠান থেকেও অনেকেই চামড়া আসছে পোস্তার পাইকারি বাজারে।
কাঁচা চামড়ার ব্যবসায়ীদের সংগঠনের চেয়ারম্যান বলেন, প্রক্রিয়াজাত চামড়া রপ্তানিকারকরা ব্যাংকঋণ পেলেও, অভ্যন্তরীণ বাজারের চামড়া সরবরাহকারি হিসেবে তারা ঋণ পান না।
ঢাকা বাইরে থেকে পুরোমাত্রায় চামড়া আসা শুরু হলে, দু’য়েক দিনের মধ্যেই কোরাবানির চামড়ার বাজারের আরো স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে বলে মনে করেন পোস্তার চামড়া ব্যবসায়ীরা।