পৃথিবীকে জেনে নিন আপনার ভাষায়….24 Hrs Online Newspaper

রাখে আল্লাহ, মারে কে!

Posted on August 5, 2014 | in সারা দেশ | by

6ff2600463c4169d21663591827d4ec8-01মাওয়া (মুন্সিগঞ্জ) সংবাদদাতা: কথায় আছে ‘রাখে আল্লাহ, মারে কে’। তার প্রমাণ পাওয়া গেল পদ্মায় ডুবে যাওয়া লঞ্চ এমএল পিনাক-৬ এর যাত্রী মোঃ রানার (১৯) বেলায়। লঞ্চ ডুবিতে প্রায় ২০ মাইল নদী পথে ভাসতে ভাসতে প্রানে বেঁচে গেছেন সোয়েটার ফ্যাক্টরীর শ্রমিক রানা। নিজের বুদ্ধিমত্তায় পড়নের লুঙ্গি দু’পায়ের মাঝখানে গিট দিয়ে ওই লুঙ্গিটাকে বেলুনের মতো ফুলিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা খরস্রোতা পদ্মার উত্তাল ঢেউয়ের সঙ্গে ভেসে থাকেন তিনি। আড়াই শতাধিক যাত্রীবোঝাই লঞ্চটি স্রোত ও ঢেউয়ের তোড়ে সোমবার বেলা ১১ টার দিকে পদ্মার লৌহজং চরের কাছে ডুবে গেলে শ্রমিক রানার বেঁচে থাকার লড়াই শুরু হয়। লুঙ্গি ফুলিয়ে তিনি ভাসতে থাকেন নদীতে। এভাবে টানা ১০ ঘণ্টা নদীতে ভেসে ছিলেন তিনি। ২০ মাইল দুরের নৌ-পথে জেলার ভাটি অঞ্চল টঙ্গিবাড়ী উপজেলার দিঘীরপাড় এলাকা সংলগ্ন পদ্মায় ইলিশ মাছ ধরার জেলেরা সোমবার রাত ৮টার ওই শ্রমিককে ট্রলারযোগে উদ্ধার করেন। তারপর এক জেলের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে। জেলেরা রানার পরিবারকে ফোন করে তার বেঁচে থাকার খবর দেন। সোমবার রাত ১২টার দিকে মাওয়া স্পিডবোট ঘাটের কাছে ছেলের জন্য অপেক্ষামান বাবা মোঃ তৈয়ব আলী এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, অলৌকিকভাবে বেঁচে যাওয়া শ্রমিক রানা চার ভাই-বোনের মধ্যে সবার বড়। গাজীপুরের একটি সোয়েটার ফ্যাক্টরীতে সামান্য বেতনে কাজ করার সুবাধে সেখানেই বসবাস করত সে। ঈদের ছুটিতে গ্রামের বাড়ি দক্ষিণবঙ্গের মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার জাদুয়ার চর গ্রামের বাড়িতে যান রানা। স্বজনদের সঙ্গে ঈদ আনন্দ শেষে সোমবার কর্মস্থলের উদ্দেশ্যে কাওড়াকান্দি ঘাট থেকে মাওয়াগামী এমএল পিনাক-৬ লঞ্চে উঠেন তিনি।

সর্বশেষ খবর

আজকের ছবি

www.facebook.com

Tag Cloud