পৃথিবীকে জেনে নিন আপনার ভাষায়….24 Hrs Online Newspaper

৩০ ঘণ্টায়ও মেলেনি পিনাক-৬ এর সন্ধান

Posted on August 5, 2014 | in জাতীয় | by

ADDDDমুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি:  সোমবার সকাল ১১টার দিকে কাওড়াকান্দি থেকে প্রায় আড়াইশ’ যাত্রী নিয়ে মাওয়া ঘাটে যাওয়ার পথে লৌহজং ক্রসিংয়ে ডুবে যায় লঞ্চ এমএল পিনাক-৬ ডুবে যাওয়ার ৩০ ঘণ্টা পরও সন্ধান মেলেনি ‘এমএল পিনাক-৬ এর। উদ্ধারকাজেও তেমন কোনো অগ্রগতি হয়নি। মঙ্গলবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত ডুবে যাওয়া লঞ্চটির অবস্থান শনাক্ত করাই সম্ভব হয়নি। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে মিলিয়ে যাচ্ছে যাত্রীদের জীবিত উদ্ধারের আশা।৩০ ঘণ্টায়ও মেলেনি পিনাক-৬ এর সন্ধান সোমবার সকাল ১১টার দিকে কাওড়াকান্দি থেকে প্রায় আড়াইশ’ যাত্রী নিয়ে মাওয়া ঘাটে যাওয়ার পথে লৌহজং ক্রসিংয়ে ডুবে যায় লঞ্চ এমএল পিনাক-৬। দুর্ঘটনার পরপরই নদী থেকে দুই নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়। এছাড়া স্বজনদের অভিযোগের ভিত্তিতে নিখোঁজ ১২৯ যাত্রীর একটি তালিকা তৈরি করেছে মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসন। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে মিলিয়ে যাচ্ছে যাত্রীদের জীবিত উদ্ধারের আশা। একইসঙ্গে কমে আসছে লঞ্চটি খুঁজে পাওয়ার সম্ভাবনাও। কারণ লঞ্চডুবির স্থানে থাকা স্রোতের ধাক্কায় যদি লঞ্চটি সরে যায় আর তাতে পলি জমে তাহলে সেটি শনাক্ত করাও কঠিন হয়ে পড়বে বলে মনে করছেন নৌ-বিশেষজ্ঞরা। উদ্ধারকাজের প্রথম দিকে বিআইডব্লিউটিসি ও বিআইডব্লিউটিএ’র ‘টাগ-বোটের’ (এক প্রকার জাহাজ) সাহায্যে উদ্ধারকাজ চালানো হয়। পরে যোগ দেয় ডুবুরি দল। সোমবার রাতে বিআইডব্লিউটিএ, নৌবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিসের ১৩ জন ডুবুরি স্পিডবোট নিয়ে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও পিনাক-৬ এর কোনো সন্ধান পাননি। পরে রাত পৌনে ১০টার দিকে দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছায় উদ্ধারকারী জাহাজ ‘এমভি রুস্তম’। মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে আবারও ব্যাপকভাবে শুরু হয় লঞ্চ সারাদিন ধরে পিনাক-৬ শনাক্তের চেষ্টা করে যাচ্ছে বিআইডব্লিউটিএ, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। পাশাপাশি হেলিকপ্টারে রয়েছে র‌্যাবের টহল দল। লঞ্চডুবির স্থান মাওয়া ঘাট থেকে পৌনে এক কিলোমিটার দূরে লৌহজং চ্যানেলে পানির গভীরতা ৮০ থেকে ১০০ ফুট। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার সঙ্গে এখানে রয়েছে প্রবল ঘূর্ণিস্রোত। ফলে লঞ্চটি খুঁজে পেতে কোনো প্রচেষ্টাই কাজ করছে না। একই কারণে লঞ্চটি যেখানে ডুবেছে সেখানে সেটি পাওয়ার সম্ভাবনাও কম। মুন্সীগঞ্জের জেলা প্রশাসক সাইফুল হাসান বাদল বলেন, ‘যেখানে লঞ্চ ডুবেছে সেখানে পানির নিচে ডিভাইস (সাইট স্ক্যানার সোনার) দিয়ে স্ক্যান করেও লঞ্চটির অবস্থান নিশ্চিত হওয়া যায়নি। লঞ্চটি চিহ্নিত করার কাজ অব্যাহত রয়েছে।’ তবে লঞ্চটিতে পলি জমে গেলে স্ক্যানারে অবস্থান চিহ্নিত করা সম্ভব হবে না বলে জানান তিনি। লঞ্চ দুর্ঘটনায় নিখোঁজ স্বজনদের ভিড়ে লোকারণ্য মাওয়া ঘাট। সবারই এক দাবি, ‘লাশ চাই, লাশ চাই’। প্রিয়জনের আশা ছেড়ে দিয়ে এখন তারা লাশের অপেক্ষাতেই ঘাটে বসে আছেন। আজ সকালে উত্তেজিত স্বজনরা একবার মহাসড়ক অবরোধ করেন। অনেকে ভাঙচুর চালান সরকারি জাহাজ তিস্তায়।

সর্বশেষ খবর

আজকের ছবি

www.facebook.com

Tag Cloud